এখন আমি নিজেকে ভালোবাসতে শিখেছি: বাঁধন

লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার আজমেরী হক বাঁধন। অভিনেত্রী বাঁধন হিসেবেই শোবিজে তিনি সুপরিচিত। ২০১০ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর, নানা আলোচনা-সমালোচনার পর আনুষ্ঠানিকভাবেই ২০১৪ সালের ২৬ নভেম্বর ডিভোর্স হয়ে যায় অভিনেত্রী বাঁধনের। তার এই বিয়ে ও ডিভোর্স দুটি বিষয়ই বিভিন্ন কারণে মিডিয়ার আগ্রহের শীর্ষে ছিল।ডিভোর্সের পর তিনি আবারো নতুন করে শুরু করেন তার জীবনের পথচলা। সন্তান ও অভিনয় নিয়ে সমান তালে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের খ্যাতনামা ফটোগ্রাফার রফিকুল ইসলাম র‍্যাফের সাথে বাঁধন একটি ফটোশ্যুটে অংশ নিয়েছিলেন এসময় তার সাথে ছিলেন তার একমাত্র কন্যা সায়রা। পূর্বপশ্চিমের সাথে বাঁধনের বর্তমান সময়ের কাজ ও ব্যাস্ততা নিয়ে দীর্ঘ আলাপচারিতার চুম্বক অংশ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল।

পূর্বপশ্চিম – বাঁধন আপু কেমন আছেন

বাঁধন – এইতো ভালোই আছি।

পূর্বপশ্চিম – আপু দেখলাম ফটোগ্রাফার র‍্যাফ ভাইয়ের সাথে একটি ফটোশ্যুটে অংশ নিয়েছেন, নতুন কোন খবর পাবো কি?

বাঁধন – না, তেমন কিছু না। আমি র‍্যাফ ভাইকে কথা দিয়েছিলাম আমি তার সাথে একটি শ্যুট করব। কিন্তু রোজা আর সামগ্রিক ব্যস্ততার কারণে তা হয়ে উঠছিল না। তাই এবার সুযোগ পেয়ে শ্যুট করে ফেললাম। তবে হ্যাঁ, একটা কথা বলতে হয় আমার একটা টার্গেট ছিল যে, আমি অনেকখানি ওজন কমিয়েছি। ওজনের একটা পরিমাপ আছে যাকে বিএমআই বলা হয়, যা শরীরের ওজন মাপার ক্ষেত্রে ব্যাবহৃত হয়। সেই নির্দিষ্ট পরিমানের বিএমআই এ্যচিভ করবার টার্গেট ছিল আমার যা আমি ইতোমধ্যেই এ্যচিভ করেছি। মূলকথা বয়স এবং উচ্চতা অনুযায়ী যে পরিমাণ ওজন আমার থাকার কথা সেটা এখন আমার রয়েছে। সেক্ষেত্রে ভাবলাম যেহেতু আগের থেকেও আরো পাচ-ছয় কেজি ওজন আমি কমিয়েছি পাশাপশি রফিক ভাইকেও আমি প্রথম শ্যুটের পর বলেছিলাম পরের শ্যুটটা আমি আরো পারফেক্ট হয়ে করবো তাই করে ফেলেছি।

পূর্বপশ্চিম – আপনার মেয়ে সায়রাকেও দেখলাম শ্যুট এর সময় আপনার সাথে ছবি তুলল

বাঁধন – আমার মেয়ে আর আমার ব্যাপারটা যেটা হচ্ছে ও আমার সাথে সারাদিন থাকবে বলে শ্যুটে যায়। স্টুডিওতে যাবার পর আমার যে ডিজাইনার ছিল মুকুল তার কাছে দেখি আমার মেয়ের গায়ের ড্রেসের মতন একটি ড্রেস আমার জন্য আছে। তাই দুজনে মিলে একটা শ্যুট হয়ে গেল। আমার মেয়েকে নিয়ে এমনিতেও আমি অনেক শ্যুট করেছি এটাই প্রথম না। আমাদের দুজনের প্রচুর ম্যাচিং ম্যাচিং কাপড় আছে। তবে এ শ্যুটের বিষয়টা একটু বেশীই ইন্টারেস্টিং ছিল।

পূর্বপশ্চিম – আপনার ওজন কমানোর রহস্যটা যদি বলতেন

বাঁধন – আমি কিন্তু প্রচুর জীম করি। জীমে প্রচুর সময় দিই। অনেকেই আছেন যে ধারণা করে থাকেন,না খেয়ে একদম শুকিয়ে যাওয়া যায় বা ফিট থাকা যায়, বিষয়টা কিন্তু তা নয়। আমি প্রপার একটা ডায়েট অনুসরণ করেছি। আমি আমার ডায়েটিশিয়ান ও আমার ফিটনেস ট্রেইনারের কথামত চলেছি। একদম যেভাবে করা উচিত সেভাবে আমি সময়মত ওয়ার্কাউট করি। সবকিছু মিলিয়েই আমি আমার লক্ষ্যে সফল হয়েছে। এখানে বলতেই হয় আমি যেখানে জীম করি সেই জীমের স্বত্তাধিকারী রুজলানও আমাকে অনেক সহযোগীতা করেছে আমার লক্ষ্য অর্জন করবার জন্য।

পূর্বপশ্চিম – আপনার শারীরিক গঠন যেহেতু এখন পারফেক্ট বলছেন সেক্ষেত্রে এবারের ছবিগুলো কেমন তুলেছেন?

বাঁধন – আমি একটা জিনিসের বিষয়ে আগে একটু কথা বলতে চাই, আসলে অনেকেই বলে বোল্ড শ্যুট। দেখুন আপনি যে কাপড়ে বা ড্রেসে কমফোর্টেবল আপনিও কিন্তু তাই পড়েন। সেক্ষেত্রে আমি আগে অনেক ড্রেস পড়ি নাই কারণ আমি আগে অনেক কাপড়েই কমফোর্টেবল ছিলাম না। এমনকি আমার তখন তেমন ফিটনেসও ছিলনা। এটা কিন্তু একটা বড় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যা আমি ক্যারি করতে পারবো না তা আমি পড়বোনা। এখনো যদি আমার মনে হয় কোন ড্রেস আমি পড়তে পারছি না বা আমাকে ভাল লাগছেনা দেখতে তা আমি পড়বোনা। আমার এখন ৩৪ বছর বয়স। এই অক্টোবরে আমার বাচ্চার বয়স হবে সাত। এই বয়সে একটা মেয়ে যখন তার জীবনের এত বড় একটা ভয়াবহ দুঃসময় পাড় করে এই জায়গাটায় আসছে সেটা কিন্তু আর দশটা মেয়ে বা নারীর জন্য এটা একটা উদাহরণ বা ইন্সপিরেশন হবে বলে আমি মনে করি। কিন্তু এটাকে যদি কারোর কথার মাধ্যমে বা আমার কথার মাধ্যমে ভিন্ন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয় তাহলে বিষয়টা ঠিক থাকেনা। আমি আগেই বলেছি আমি আমার শরীরের ওজন গত ডিসেম্বরের থেকেও ৫-৬ কেজি কমিয়েছি, তাই শ্যুটে আমার যে কাপড় বা ড্রেস আমাকে মানিয়েছে সে অনুযায়ী আমি শ্যুটে ছবি তুলেছি।

পূর্বপশ্চিম – আপনার কি কখনও এমন কোন কটুকথা শুনতে হয়েছে?

বাঁধন – হ্যাঁ, এমন অনেক ফালতু টাইপের মন্তব্য শুনতে হয়েছে যে, ওহ আচ্ছা বাঁধনের ডিভোর্স হইসে তো, তাই এখন এসব করছে। ভাই আমার ডিভোর্স কিন্তু এখন হয়নি। আমার ডিভোর্স হয়েছে চার বছর আগে যা একটা উল্লেখযোগ্য ব্যাপার। যেকোন মানুষই যখন একটা খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যায় বা একটা হীনমন্যতায় থাকে তখন কিন্তু তার জীবনের কোন কিছুই তার ভাল লাগেনা। অনেকে আবার আমাকে এটাও বলেছে যে, বাঁধন এখন কাজের জন্য এগুলা করেছে। আল্লাহর রহমতে আমি যখন কাজ শুরু করেছি তখন আমি মাসে ২২ থেকে ২৫ দিন কাজ করেছি। মাসের এই এতগুলা দিন আমি কাজ করেছি শুধু টাকা জন্য। আমি এবং আমার বাচ্চার জন্য কিন্তু আমার উপার্জন করতে হয়েছে, তখন আমার জন্য আমার সংসার চালো খুব জরুরী বিষয় ছিল। তাই সব মিলিয়ে আমি তখন এত কাজ করেছি। আমার ওজন তখন ছিল ৭৮ কেজি। আমি তখনো এত ওজন নিয়েই কিন্তু প্রতিনিয়ত কাজ করেছি। কাজের জন্যই যে আমি ওজন কমিয়েছি এই ধারণাটা ভুল। তাহলে যে আমি গত চার মাস কোন কাজ করি নাই, এমনকি দহন ছবিটাও করলাম না। তাহলে ব্যাপারটা কি হল? দূর থেকে দেখে মন্তব্য না করে ভাল ব্যাপারটাই মানুষের নেয়া বা বলা উচিৎ।

পূর্বপশ্চিম – তাহলে আপনি এই বিষয়গুলাকে কিভাবে নিচ্ছেন?

বাঁধন – আমি কিছু কথা বলি প্রথমত, আমার কথা শুনে অনেকেই জীমে ভর্তি হয়েছেন, অনেকেই তাদের ডায়েট প্ল্যান চেঞ্জ করেছেন, অনেকেই নিজের ব্যপারে সচেতন হয়েছেন বিশেষকরে গৃহিণীরা। গৃহিণী যারা তাদের অনেকে আমার এ বিষয়টা ফলো করেছেন। আমি যে কারো আইডল হতে চেয়েছি তা নয়। আমি শুধু চেয়েছি মানুষ যাতে আমার পজেটিভ জিনিষটাকেই নেয়। যেমন আমাকে অনেকেই বলেছেন যে, বাঁধন তোমাকে দেখে মিডিয়াতে মানুষ বাচ্চা দেখাইতে শিখেছে, তুমিই একমাত্র মেয়ে যে বাচ্চা কোলে থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত বাচ্চা সাথে নিয়েই কাজ করছো। অনেক মানুষই বলেন নায়িকাদের আবার বাচ্চা থাকতে হয় নাকি? নায়িকাদের নাকি সংসার নেই। আমাদেরও যে একটা স্বাভাবিক জীবন আছে এটা কিন্তু মানুষ ভুলে যায়। আমি আমার বাচ্চাকে প্রপার টাইম দিতে চেষ্টা করি সবসময়। আমার ছবির মহরতেও আমি সায়রাকে নিয়ে গেছি। আমার বাচ্চা আছে, আমার বয়স ৩৪ হয়েছে বলে যে আমি কাজ করতে পারবোনা তা কিন্তু না। অনেকেই আমার ছবি দেখে বলেছেন এখন নাকি আমি বয়স কমাইতে চাই। আমার যা বয়স তা তো আমি বলেই দিলাম যে আমার বয়স ৩৪। আমার তো এখন বয়স লুকানোর কোন উপায় নেই। আমি যেহেতু ছাত্রী হিসেবে ভাল ছিলাম তাই সঠিক সময়েই পড়াশোনা শেষে পাশ করে বের হয়েছি। এমনকি আমি চাইও না যে আমার বয়স লুকানো থাক। কাজের ক্ষেত্রে কিন্তু বয়স কমবেশি এটা কোন বিষয়ের মাঝেই পড়েনা। আমি সব সময়েই সুখে থাকতে চেয়েছি, শান্তিতে থাকতে চেয়েহি। আল্লাহ আমাকে সেটা দিয়েছেনও।
https://web.facebook.com/plugins/video.php?href=https%3A%2F%2Fweb.facebook.com%2Frafmind%2Fvideos%2F10156521315332070%2F&show_text=0&width=476
পূর্বপশ্চিম – এখন তাহলে আপনি আপনার বর্তমান সময় ও জীবন নিয়ে খুশি?

বাঁধন – আমি আসলে একটা সময়ে এত অশান্তি আমার জীবনে পেয়েছি ওই লোকটাকে বিয়ে করে যা বলে শেষ করা যাবেনা। আমি গত ৬-৭ বছর যে পরিস্থিতিতে ছিলাম তাতে আমার এই অশান্তি থেকে মুক্তির দরকার ছিল। এই মুক্তিটা সে নিজে থেকে দিয়েছে। সে একটা বিয়ে করেছে, সে চলে গেছে আমার জীবন থেকে আমি তার কাছে কৃতজ্ঞ। কারন না হলে ডিভোর্সের পর আমি হয়তো আমার এই ৪ বছর যেরকম নষ্ট করেছি সেরকম হয়তো সারা জীবনই তার পেছনে নষ্ট করতাম। আমার জন্য আমার বাচ্চা, আমার পরিবার, আমার সোসাইটি সবাই এর জন্য সাফার করতো। আমার কাছে আমার পরিবার সব সময় আগে, আমার আমি আগে। কাজটাও খুব দরকারী কিন্তু তাই বলে এই না যে আমার ব্যক্তিগত জীবন ছাপিয়ে কাজ। অনেকেই বলেন শিল্পীদের জন্য কাজটাই গুরুত্বপূর্ণ, আমিও মানি সবার জন্য কাজটা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু আমার নিজের তো আগে ঠিক থাকতে হবে। দেখুন আমার ক্যারিয়ারের গত ১২ বছরে কেও বলতে পারবেনা আমাকে কোন পার্টিতে বা কোন বাজে আড্ডায় খারাপ পরিস্থিতে পেয়েছেন। আমি সবসময়েই অনেক শক্ত একটা লাইফ মেইন্টেইন করেছি সবসময়। এখনো সেটার মাঝেই আছি। আমি আপনাকে বলতে পারি এ বছরে আমার সেরা প্রাপ্তি ছিল, ৩৪ বছরে এই প্রথম আমি নিজেকে ভালোবাসতে শিখেছি। আমি বুঝেছি আমি নিজেকে ভালো রেখে অন্য দশজনকে ভালো রাখতে পারবো। একটা সময়ে কি অত্যচার যে নিজেকে করেছে তা বলা বাহুল্য। একটা সময় আমাকে আমার বাচ্চার বাবা-মা দুজনের সব দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে। একদিকে আমাকে টাকা আয় করতে হয়েছে অন্যদিকে আমাকে আমার বাচ্চাকেও প্রপার সময় দিতে হয়েছে। দেখুন, আকটা মানুষ তো আর সব পারেনা, মানুষ তো কোন রোবট না যে সব সে পারবে। ঐ সময়টা মাকে অনেক কষ্ট দিয়েছে,আমি কাউকে বলতেও পারতাম না। সেসময়ে অনেকের সাথে টাকা নিয়ে খ্যাচখ্যাচ করতাম এমন আরো সব মিলিয়ে জীবনটাকে একটা কোথায় জানি নিয়ে গেছিলাম। যাই হোক আলহামদুলিল্লাহ্‌ এখন আমি নিজেকে ভালোবাসতে শিখেছি। আমি এখন বর্তমান নিয়ে বাঁচতে চাই। এখনো আমার কাছে পরিবার সবার আগে। আমি সবসময় একটা সুশৃঙ্খল জীবন যাপন করতাম, এখনো করছি, ভবিষ্যতেও করবো।

পূর্বপশ্চিম – আপনার কথামতো আপনার জীবনে সেই বিভীষিকাময় দিনগুলোতে কাদেরকে পাশে পেয়েছেন?

বাঁধন – আমি আসলে আমার চারপাশের সকলের কাছেই অনেক অনেক কৃতজ্ঞ। আমার দুঃসময়ে বেশিরভাগ মানুষ আমাকে বলেছে মিডিয়ার মানুষ নাকি কখনও আপন হয় না। একথাটা একদম ভুল। আমার জীবনে আমার পরিবারের পর আমার মিডিয়ার বন্ধু-শুভাকাংখীরাই আমার পাশে দাঁড়িয়েছে। এরা সকলেই আমার মিডিয়া কলিগ, সাংবাদিক ও কলা কুশলী। এইতো কিছুদিন আগেই যখন আমি ঝামেলায় ছিলাম তখন আমার কোন এক নাটকের প্রোডাকশন বয় আমাকে ফোন করে বলেছিল, ‘আপু আমরা দেখেছি বাবুকে নিয়ে কত কষ্ট করে আপনি কাজ করেছেন, আপনার যদি কোন সমস্যা হয় বা কোন সাহায্য লাগে তাহলে শুধু একটা ফোন দিবেন, আমরা সবাই চলে আসব আপনার জন্য’। এটাই কিন্তু আমার জন্য বড় পাওয়া। জীবনে আমার আর কি চাই? আমার তো অনেককিছু দরকার নাই, আমি কখনোই অনেককিছু চাইও নাই। আমার কিন্তু সুযোগ অনেক ছিল, আমি চ্যানেল আই থেকে বের হয়েছি, আমি হুমায়ূন স্যারের সাথে কাজ করেছি এরকম আরো অনেক কিছু আমি আমার জীবনে পেয়েছি। আমার যা আছতা নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ্‌ ভাল আছি। সকলের কাছে দোয়া চাই যাতে সবসময় এরকম থাকতে পারি।

পূর্বপশ্চিম – সবশেষে কাজ নিয়ে যদি কিছু বলেন

বাঁধন – হুম, আমার তো একটা সিনেমার কথা চলছিল। যেহেতু দহন ছবিটা আমি ছেড়ে দিয়েছি। এখন একটু ফ্রি আছি। তবে কাজ তো আমাকে করতেই হবে। আর যা হবে তা তো আপনাদের মাধ্যমেই জানাবো।

পূর্বপশ্চিম – ছোটপর্দায় কি আবারো আপনাকে দেখতে পাবো?

বাঁধন – এটা আসলে একটু অনিশ্চয়তার একটা বিষয়। কারণ হচ্ছে বড়পর্দায় যদি এরমাঝে হয় তাহলে কাজটা কেমন হবে, কার সাথে হবে, কি হবে এটা একটা বিষয়। তবে আলোচনা যে চলছেনা এরকম না। এবিষয়গুলো নিয়ে আমি খুব বেশি লুকোচুরি করতে অভ্যস্ত না, আর এখানে লুকানোরও কিছু নেই। ছবি নিয়ে অনেকের সাথে কথা চলছে, মিটিং হচ্ছে এবং সবগুলা অবশ্যই ভালো ভালো কাজের কথা হচ্ছে আমাদের। যদি ব্যাটে বলে মিলে যায় তাহলে তো বড়পর্দায় কাজ করবো আর ছোটপর্দার কাজ তো আমি করবোই কিন্তু এখন আমি একটু বড়পর্দার কাজ নিয়ে ব্যাস্ত থাকতে পছন্দ করছি।

পূর্বপশ্চিম- অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

বাঁধন – আপনাকে ও পূর্বপশ্চিমের সকল পাঠকদেরকেও অনেক ধন্যবাদ।

মাকসুদুল হক ইমু
পূর্ব পশ্চিম

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

w

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.