মুন্সীগঞ্জ-২ : আ.লীগে সাতজন বিএনপিতে মূল আলোচনায় সিনহা

মাসুদ রানা: মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার ১৩ ও লৌহজং উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত মুন্সীগঞ্জ-২ নির্বাচনি এলাকা। ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিত আসনটি প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগের দখলে যায়।

এরপর ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ দলীয় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে দ্বিতীয় মেয়াদে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন অধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর জয়ের মধ্য দিয়ে এ আসনে আওয়ামী লীগের ভিত মজবুত হয়। পাশাপাশি সাংগঠনিকভাবে অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে বিএনপি।

তবে এ আসনে বিএনপি দীর্ঘদিন আধিপত্য বিস্তার করায় এবং দানশীল হিসেবে পরিচিত দি এক্মি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান সিনহা নেতৃত্বে থাকায় বিএনপির নির্বাচনি মাঠ তাদের অনুকূলে রয়েছে বলে তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবি।

২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহাকে প্রায় ২০ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে আওয়ামী লীগ প্রার্থী সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি ১৯৯৬ সালে মুন্সীগঞ্জ-নারায়ণগঞ্জ সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য হওয়ার পর বিএনপির এ দুর্গে আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করতে হাল ছাড়েননি। পরে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে আবারও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। তার সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন আওয়ামী লীগের মাহবুব উদ্দিন আহম্মেদ বীরবিক্রম। দীর্ঘ ২১ বছরে সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি টঙ্গিবাড়ী ও লৌহজং উপজেলা আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতৃত্বে এনেছেন দলের নিবেদিতদের।

এর আগে বিএনপির টিকিটে ১৯৯৬ সালে এ আসনে প্রথম সংসদ সদস্য হন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সিনহা। পরে ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হওয়ার পর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন মিজানুর রহমান সিনহা।

বর্তমানে আওয়ামী লীগে প্রার্থীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকলেও দলের মধ্যে তেমন কোন্দল নেই। তবে এ আসনে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আওয়ামী লীগের প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা এবং মাঠ পর্যায়ে গণসংযোগ শুরু করায় সংসদ সদস্য এমিলি সমর্থকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। পাশাপাশি বিএনপির একক প্রার্থী হিসেবে সাবেক সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান সিনহা রয়েছেন। এছাড়াও দলীয় মনোনয়নের জন্য আরও একাধিক প্রার্থী রয়েছেন।

এ মুহূর্তে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন সাতজন। মূল আলোচনায় রয়েছেন, বর্তমান সংসদ সদস্য সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি। এছাড়াও প্রার্থী হিসেবে এলাকায় কাজ করছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, লৌহজং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ও ঊষা ক্রীড়াচক্রের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ আবদুর রশিদ শিকদার, জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও টঙ্গিবাড়ী উপজেলা পরিষদের দুই মেয়াদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার কাজী ওয়াহিদ এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ঢালী মোয়াজ্জেম হোসেন। এছাড়াও প্রার্থী তালিকায় আলোচনায় রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সোহানা তাহমিনা। তিনি মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিনই উঠান বৈঠক করে যাচ্ছেন জোরেশোরে।

এদিকে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি থেকে একমাত্র মনোনয়ন প্রত্যাশী হচ্ছেন মিজানুর রহমান সিনহা। এছাড়াও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির বিশেষ সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ ও জেলা বিএনপির বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি আলী আজগর মল্লিক রিপন।

এদের মধ্যে মিজানুর রহমান সিনহার প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে রিপন মল্লিক প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। রিপন মল্লিক টঙ্গিবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। এরপর মিজানুর রহমান সিনহার হস্তক্ষেপে গেল সম্মেলনে রিপন মল্লিক জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হন। শেষে টঙ্গিবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদ ছেড়ে প্রবাসী খান মনিরুল মনি পল্টনকে পদটি দেওয়া হয়। এরপর গেল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে রিপন মল্লিক তার নিজ ইউনিয়ন টঙ্গিবাড়ী-সোনারং এবং উপজেলা বিএনপির সভাপতি পল্টন তার নিজ ইউনিয়ন বেতকায় চেয়ারম্যান পদে ধানের শীষ প্রতীকে কোনো চেয়ারম্যান প্রার্থীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দেননি। এতে টঙ্গিবাড়ী-সোনারং ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়। অভিযোগ, বেতকায় ধানের শীষ প্রতীকের কোনো প্রার্থী না দিয়ে টঙ্গিবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি খান মনিরুল মনি পল্টন তার মামাদের খান বংশের প্রার্থীর নৌকা প্রতীকের জন্য কাজ করেন। নির্বাচনে এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জয়লাভ করেন। এরপর টঙ্গিবাড়ী উপজেলা বিএনপির সম্মেলনে বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন দোলনকে মিজানুর রহমান সিনহা সভাপতি করতে চান।

কিন্তু রিপন মল্লিক পল্টনকে ফের সভাপতি বানানো হয়। এছাড়া বিগত সরকারবিরোধী আন্দোলনে রিপন মল্লিক জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও খান মনিরুল মনি পল্টন উপজেলা বিএনপির সভাপতি হয়েও কোনো কর্মসূচি পালন করেননি টঙ্গিবাড়ী উপজেলা সদরে।

এছাড়াও বিভিন্ন কমিটি গঠনে রিপন মল্লিকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ওঠায় মিজানুর রহমান সিনহা রিপন মল্লিকের ওপর ক্ষুব্ধ হন। এসব ঘটনায় গেল বছরের এপ্রিলে জেলা বিএনপির নতুন কমিটিতে আলী আজগর মল্লিক রিপনকে সরিয়ে দেন মিজানুর রহমান সিনহা। নতুন কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক করে আনেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা কামরুজ্জামান রতনকে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রিপন মল্লিক জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ আবদুল হাইয়ের শিবিরে চলে যান এবং প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন।

লৌহজং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সহ-সভাপতি আলহাজ আবদুর রশিদ শিকদার বলেছেন, নির্বাচন এলে মাঠে একাধিক প্রার্থী থাকবে এবং আমাদের এখানেও আছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে সব উপজেলা এবং সব আসনেরই খবরাখবর আছে। তিনি যাকে দিয়ে নির্বাচন করাতে চান আমরা উপজেলা আওয়ামী লীগ তার পক্ষেই কাজ করব এবং নৌকাকে জয়ী করে তাকে উপহার দেব। এখন একটাই লক্ষ্য, নৌকাকে বিজয়ী করতে হবে। সেভাবেই তৃণমূলের নেতাকর্মীদের নিয়ে এলাকায় কাজ করে যাচ্ছি।

টঙ্গিবাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার কাজী ওয়াহিদ বলেন, এমন কোনো ঘর নেই, এমন কোনো স্কুল, মসজিদ ও বাজার নেই, যেখানে ৯ বছরে তিনি যাননি। এ নির্বাচনি এলাকার মাটি ও মানুষের সঙ্গে তিনি মিশে আছেন। উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হতে চান বলে জানান। তবে নেত্রী যাকে মনোনয়ন দেবেন, তার পক্ষেই কাজ করবেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম বলেন, ৯ বছরেরও বেশি সময় ধরে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা হিসেবে বিশ্বস্ততার সঙ্গে কাজ করছেন। এ সময় বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার, জেল হত্যার বিচার, মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার, ক্যান্টনমেন্টের খালেদা জিয়ার বাড়ি দখল, মওদুদ আহমদের বাড়ি দখলসহ অসংখ্য মামলা-মোকদ্দমা করেছেন। এসব বিবেচনায় আগামী নির্বাচনে তিনি এ আসনে প্রার্থী হতে চান এবং দলীয় মনোনয়ন পাবেন বলে আশাবাদী।
সংসদ সদস্য ও সাবেক হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি বলেছেন, বর্তমানে তার নির্বাচনি এলাকার লৌহজংয়ে পদ্মা সেতু নির্মাণ, ব্রিজ-কালভার্ট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নতুন ভবন নির্মাণ, কৃষকের ঋণের সুবিধা, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, আশ্রয়ণ প্রকল্প, শতভাগ বিদ্যুৎ সংযোগসহ শত শত কোটি টাকার উন্নয়ন হয়েছে এবং তার নির্বাচনি এলাকায় উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ চলছে। তার আসনে কোনো গ্রুপিং নেই, নেই কোনো নোংরামি। প্রশাসন, এমপি, উপজেলা পরিষদ এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতারা মিলেমিশে একটি টিম হিসেবে কাজ করছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে অত্যন্ত সাধারণভাবে মেলামেশা করছেন। সপ্তাহে চার থেকে পাঁচ দিন এলাকায় থাকছেন। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আগামী নির্বাচনে তাকে মনোনয়ন দিলে নারী ভোটারসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের ভোট পেয়ে তিনি নৌকার জয় উপহার দিতে পারবেন এবং তার প্রতি এলাকার ভোটারদের আস্থাও আছে বলে জানান এ নারীনেত্রী।

মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সোহানা তাহমিনা বলেন, তিনি নিয়মিত তার নির্বাচনি এলাকায় উঠান বৈঠক করছেন। তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করে চলেছেন এবং শেখ হাসিনার উন্নয়নবার্তা গ্রাম থেকে গ্রামে পৌঁছে দিচ্ছেন। তিনি আগামী নির্বাচনে এ আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন পাবেন বলে দৃঢ়ভাবে আশাবাদী। এ আসনে প্রার্থী হলে চমক দেখাতে পারবেন বলে জানান তিনি। তিনি মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিনই উঠান বৈঠক করে যাচ্ছেন। সোহানা মহিউদ্দিন বলেন, আমার অবস্থান খুব পরিষ্কার, আমি দেশরতœ শেখ হাসিনার উন্নয়নবার্তা সবখানে পৌঁছে দিচ্ছি। আওয়ামী লীগ অনেক বড় দল; এখানে বড় অনেক নেতা রয়েছেন। নেত্রী যাকে মনোনয়ন দেবেন, তিনিই বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন। এ আসন থেকে আমি মনোনায়ন চাইব।
তৃণমূল থেকে জাতীয় রাজনীতিতে আসা কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ বলেন, এ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন নয় এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে তারা নির্বাচনে যাবেন না। এটা তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। খালেদা জিয়া কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে তাদের মাঝে ফিরে এলে তিনি মনোনয়ন চাইবেন। এর আগেও দুইবার তিনি মনোনয়ন চেয়েছেন, দল তাকে দেয়নি।

সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সিনহা বলেন, দল নির্বাচনে এলে তিনি নির্বাচনটা ভালোভাবেই করবেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তাকে জয়লাভ করতে দেওয়া হয়নি। এর আগে তিনি যখন সরকারে ছিলেন, তখন এলাকার উন্নয়নে সাধ্যমতো কাজ করেছেন। তার প্রতি জনগণের আস্থা থাকায় এবারও তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে চান। নির্বাচিত হলে টঙ্গিবাড়ী উপজেলার তেঘড়িয়া রাস্তাসহ অসমাপ্ত কাজগুলো করবেন বলে তিনি জানান। লৌহজং উপজেলা বিএনপির সেক্রেটারি হাবিবুর রহমান চাকলাদার অপু বলেন, দল ক্ষমতায় নেই, তারপরও এলাকার উন্নয়নে সাধ্যমতো কাজ করে যাচ্ছেন মিজানুর রহমান সিনহা। তার বিকল্প নেতা মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে নেই। তার দাবি, লৌহজংয়ের বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মিজানুর রহমান সিনহাকেই এ আসনে প্রার্থী হিসেবে পেতে চায়।

জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আলী আজগর মল্লিক রিপন বলেন, যদি বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয়, তিনি দলীয় টিকিট চাইবেন। যদি হাইকমান্ড তাকে মনোনয়ন দেয়, তিনি বিপুল ভোটে জয়ী হবেন। তিনি বলেন, তবে আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে আমরা নির্বাচনে অংশ নেব না।

এছাড়া জাতীয় পার্টি জেলা কমিটির সভাপতি মো. কুতুবউদ্দিন বলেন, আমি মুন্সীগঞ্জ জেলায় জাতীয় পার্টিকে সাংগঠনিকভাবে আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী করেছি। মানুষ এখন পরিবর্তন চায়, জাতীয় পার্টিকে আবার ক্ষমতায় বসাতে চায়। মুন্সীগঞ্জ-২ আসন থেকে আমি আশা করছি দলীয় মনোনয়ন পাব। জনগণ আমাকে চায় বলেই মাঠে নেমেছি। মনোনয়ন পেলে তৃণমূলের নেতা হিসেবে জনগণের বিপুল ভোটে বিজয়ী হব বলে আমি আশাবাদী। এদিকে কেন্দ্রীয় নেতা নোমান মিয়া ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জামাল হোসেনও দলীয় মনোনয়ন পেতে লবিং শুরু করেছেন বলে জানা গেছে।

আলোকিত বাংলাদেশ

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.