মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার গুচ্ছ গ্রামে মত বিনিময় সভায় মেয়র হাজি ফয়সাল বিপ্লব

মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের একাংশ ও ৯নং ওয়ার্ডের বৃহত্তর অংশ নিয়ে মুলত মুন্সিগঞ্জের এই গুচ্ছ গ্রাম গঠিত হয়। বিগত বছর গুলোতে এই গুচ্ছ গ্রামটি অবহেলিত ছিল। এখনো এই গুচ্ছ গ্রামটি অবহেলার শিকার।

কোন জন প্রতিনিধিরা এখানে সহসা আসা যাওয়া করে না বলে এখানকার বসবাসকারীরা অভিযোগ করেছেন। কিন্তু সেই পুরনো ধ্যান ও ধারণা পাল্টে দিয়েছেন বর্তমান মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হাজি ফয়সাল বিপ্লব। তিনি চলতি বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি মাসে ছুটে যান এই গুচ্ছ গ্রামে।

আর এই গুচ্ছ গ্রামে মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হাজি ফয়সাল বিপ্লব বিশাল জনসভা ও মত বিনিময় সভারও আয়োজন করেন। গুচ্ছ গ্রাম গঠিত হওয়ার পর এই ধরণের আয়োজন এটিই প্রথম বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। আর এটি সম্ভব হয়েছে মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হাজি ফয়সাল বিপ্লবের জন্য। এমনটা দাবি করেছেন এই গুচ্ছ গ্রামে বসবাসকারী মানুষেরা।

সেই দিন সেখানে মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হাজি ফয়সাল বিপ্লব গুচ্ছ গ্রামের খোলা মাঠের ঘাসের ওপর হোগলায় বসে স্থানীয় নারী নেত্রীদের সাথে মত বিনিময় সভা করেন। এমনটা এর আগে কখনো এখানে ঘটেনি বলে এখানকার বসবাসকারী মানুষেরা জানিয়েছেন।

একজন জন প্রতিনিধি এভাবে হোগলায় বসে অনেকক্ষণ সময় দিয়ে মানুষের সুখ ও দু:খের কথা শোনেছেন তাতে তারা অনেকটাই অবাক হয়েছেন।

একজন জন প্রতিনিধি মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হাজি ফয়সাল বিপ্লব এই ভাবে দিল খোলা মন নিয়ে মানুষের মাঝে কথা বলবেন এমনটা আশা করেননি এখানকার মানুষ। আর এমনটাই এখানে ঘটেছে।

এই মত বিনিময় সভায় সেই সময় স্থানীয় যেসব নারী নেত্রীরা উপস্থিত ছিলেন তারা হচ্ছেন, নাসির বেপারীর স্ত্রী শিমু আক্তার, আমজাদ হোসেন গাজীর স্ত্রী হোসনে আরা বেগম। নোয়াব আলীর স্ত্রী জাহানারা বেগম।

আর্শেদ কাজীর স্ত্রী মর্জিনা। মো: আলীর স্ত্রী রেনু বেগম। খোরশেদ বেপারীর স্ত্রী নাজমা। বিল্লাল শিকদারের স্ত্রী সূর্যবানু। মৃত আলাউদ্দিনের স্ত্রী সুফিয়া বেগমসহ আরো অনেকেই।

তিনি সেই সময় সেই নারী নেত্রীদের স্থানীয় সমস্যা গুলো খুব ধর্য সহকারে তাদের কথা শোনেন। তাদের অভিযোগের বিষয় গুলো তিনি সমধানের চেষ্ঠা করবেন বলে তাদেরকে সেই সময় প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

এই মত বিনিময় সভার পর এখানে একটি বিশাল জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জের জেলা প্রশাসক সায়লা ফারজানা।

এই জনসভায় সেই সময় এখানকার নারী নেত্রীরা স্থানীয় সমস্যা নিয়ে বক্তব্য রাখেন বলে স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন। এই জনসভায় নারী নেত্রী জেসমিন এখানকার কোমলমতি শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার সমস্যা নিয়ে কথা বলেন।

সেই কথা জেলা প্রশাসক সায়লা ফারজানা এর কাছে সময় উপযোগি বক্তব্য বলে মনে হয়েছে। তাই তিনি জেসমিনের প্রাথমিক শিক্ষার বিষয়ে জমি প্রদানে এগিয়ে আসেন।

তবে এই বিষয়ে আরো গুরুত্ব পূর্ণ ভুমিকা রাখেন মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হাজি ফয়সাল বিপ্লব। তিনি তার দফতর থেকে জেসমিনকে সেখানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঘর তৈরী করতে ১ লাখ টাকা প্রদান করেন। পরে আরো ১ লাখ টাকা দেয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন।

নাজির হোসেন ও তুষার আহমেদ
মুন্সিগঞ্জ নিউজ

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.