‘মোবাইল ফোনের কলের সূত্র ধরে দুই হত্যার কারণ’ জেনেছে পিবিআই

মঈনউদ্দিন সুমন: মুন্সীগঞ্জে দুই হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) মুন্সীগঞ্জ জেলা শাখা। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে দুই হত্যাকাণ্ডে বিষয়ে জানাতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে পিবিআই জানায়, মোবাইল ফোন কলের সূত্র ধরে রহস্য উদঘাটিত হয়।

পিবিআই জানায়, ২০১৭ সালের ৪ নভেম্বর মুন্সীগঞ্জ সদরের শিলই গ্রামে অজ্ঞাতপরিচয় তরুণের (২২) গলাকাটা মৃতদেহ পাওয়া যায়। মরদেহ থেকে মামলা দুটির নথি পাওয়া যায়। সাত মাস পর পিবিআই এটি তদন্ত করে মূল কারণ উদ্ঘাটন করে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার কারণে শফি কাজী (৪২) নামের এক ব্যক্তি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তাঁর সঙ্গে আরো চারজন এ হত্যায় জড়িত ছিলেন। রাজনৈতিকভাবে প্রতিপক্ষকে হয়রানি করতে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় বলে তদন্তে বের হয়ে আসে। তবে রাজনৈতিক দল এতে জড়িত তা বলা হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই আরো জানায়, মুন্সীগঞ্জের বাইন্নাবাড়ি এলাকায় দেহব্যবসার টাকা লেনদেনে নিয়ে বনিবনা না হওয়ার একপর্যায়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় পলি আক্তার রিতাকে (৩০)। পরে দেহ থেকে মাথা আলাদা করে মুখমণ্ডল রতনপুর এলাকায় একটি সেতুর নিচে এবং দেহ ধলেশ্বরী নদীতে ফেলে দেয়। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয় রিতা আক্তার ববিতা (৩০) ও তাঁর স্বামী মো. সোহেলকে (৩৫)। তাঁরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে হত্যার ঘটনা স্বীকার করে।

সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই মুন্সীগঞ্জ শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাদিদ জানান, এসব হত্যাকাণ্ড জেলা পুলিশ তদন্ত করে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেনি। পরে পুলিশ হেডকোয়ার্টাসের মাধ্যমে পিবিআইয়ের কাছে মামলার তদন্ত হস্তান্তর করা হয়। বিভিন্ন সূত্র ধরে ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে হত্যার মূল কারণ উদঘাটন করা হয়।

এনটিভি

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.