আখের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে আখের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। মাটি ও ভালো জাত নির্বাচন, রোগব্যাধি কম থাকা, সময়মতো কৃষি উপকরণ এবং পরামর্শ পাওয়ায় বিগত বছরগুলোর তুলনায় এ বছর ফলন বেশি হয়েছে- এমন দাবি কৃষি অফিস ও কৃষকের।

সিরাজদীখান উপজেলার কৃষি অফিস সূত্র জানায়, চলতি বছর এ উপজেলায় ৪০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের আখ আবাদ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৫ হেক্টর বেশি। তারা আশা করছেন, এ বছর গড়ে হেক্টরপ্রতি আখের উৎপাদন ৪২ টন, যা গত বছরের চেয়ে ৪ টন বেশি। তবে আখ চাষের জমিতে পানি কম থাকায় আখে মিষ্টি একটু কম হয়েছে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন হাউজিং কোম্পানি নদীতীরের খাসজমি দখল করে বালু ভরাট করাসহ ছোট-বড় অনেক খাল ভরাট করার ফলে কৃষকের জমিতে পানি আসার পথ বন্ধ হয়ে গেছে। এ কারণে আখচাষিরা আখ চাষের প্রয়োজনীয় পানি না পাওয়ায় আখের উৎপাদন ভালো হলেও মিষ্টি হয়নি।

উপজেলার রশুনিয়া ইউনিয়নের আবিরপাড়া গ্রামের আখচাষি শেখ তোফাজ্জল হোসেন জানান, চলতি বছর তিনি ৩৫ শতাংশ জমিতে আখ চাষ করেন। এতে খরচ হয় ১৫ হাজার টাকা। ওই জমির আখ তিনি ক্ষেতেই ২৫ হাজার টাকায় বিক্রয় করেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবোধ চন্দ্র রায় জানান, আখ উৎপাদনে ঝুঁকি কম, এ ছাড়া এর সঙ্গে সাথি ফসল উৎপাদন করে বাড়তি টাকা আয় করা যায়। যে কারণে আখের উৎপাদন খরচ কম হয়। তবে সময়মতো পানি না পাওয়ার কারণে এ বছর আখে মিষ্টি একটু কম হয়েছে।

সমকাল

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.