টঙ্গীবাড়িতে ইউ’পি চেয়ারম্যানের ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগের বিচার: ৫০হাজার টাকায় রফাদফা

টঙ্গীবাড়িতে ইউ’পি চেয়ারম্যানের ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগের বিচার নিস্পত্তি হয়েছে। উপজেলার কাঠাদিয়া শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর হোসেন বেপারীর বিরুদ্ধে থানায় সহ স্থানীয় সাংবাদিকদের নিকট একই ইউনিয়নের আব্দুল মালেক হাওলাদারের মেয়ে কাকলী ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ তুলেন।

পরবর্তীতে শুক্রবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯.৩০টায় বিচারে ৫০হাজার টাকা জারিমানার মাধ্যমে রফাদফা হয়। থানা পুলিশ ও মিডিয়া বাবদ দেড় লাখ খরচ হয়েছে এবং তার মান হানি হয়েছে। সেই দিক বিবেচনা করে এই টাকা শাহিনকে জরিমানার জন্য ধার্য্য করা হয়েছে।

এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ ও পত্র-পত্রিকায় সংবাদ ছাপা হলে শুক্রবার সন্ধ্যায় সোনারং-টঙ্গীবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন লিটন মাঝির প্রচেষ্টায় তার বাসভবনে উপজেলা আওয়ামিলীগ সভাপতি জগলুল হাওলাদার ভূতুর উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের মধ্যে আপোষ মিমাংসা হয়। অপরদিকে শাহিনের কারণে এলাকার ছোট ছোট কোমলমতি শিক্ষার্থীরা স্কুলে যেতে পারে না সে ব্যাপারে বিচারে কোন কথা উত্তোলন করেননি চেয়ারম্যান বা বিচারে উপস্থিত মাদবরগণ।

কাকলী আক্তার বলেন- ঘটনার দিন চেয়ারম্যানের সঙ্গে থাকা লোকজন তাকে সহ তার বোনকে মারধর করে, এ সময় শাহীন কাকা ঘটনাটি ভিডিও করলে তারা তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেয় এবং তাকেও মারধর করে, তবে কোন ধর্ষনের চেষ্টার ঘটনা ঘটেনি। এ সময় কাকলী আরো বলেন- আমি বাচাঁর জন্য অভিযোগ করেছি।

স্থানীয় চেয়ারম্যান বলেন-কাকলীদের বাড়ীর পাশ দিয়ে রাস্তা নির্মান সংক্রান্ত বিষয়ে বাকবিডন্ডা হয়, আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ন মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে, ঘটনাটি শাহীন অতিরঞ্জিত করেছে। শাহীন জানান- আমার সাথে চেয়ারম্যানের মনোমালিন্য হয়েছে, আমি সে সকল ঘটনার জন্য অনুতপ্ত। বিচারে শাহীন, কাকলী ও চেয়ারম্যানের মধ্যে ক্ষমা চেয়ে মিলমিস করা হয় এবং শাহীনকে মিডিয়া সহ তদবির খরচ বাবদ ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ সময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন মানিক মিয়া বাচ্চু মাঝি, শাহ্ আলম মাদবর, দেলোয়ার মেম্বার, কবির মেম্বার, আনোয়ার মেম্বার, গনি ঢালী, আ: হক মাদবর, হাবিবুর রহমান মাদবর, আতাউর রহমান খান।

চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন লিটন জানান-দু’দিনের চেষ্টায় বিরোধীয় বিষয়ে মিমাংসা করতে পেরেছি না হলে বড় ধরনের অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটার সম্ভবনা ছিল। অপরদিকে মিডিয়ার পেছনে কোন টাকা ব্যয় করেননি বলে জানিয়েছেন। বিভিন্ন জায়গায় যাওয়া আসা ও খাওয়া বাবদ এক লাখ টাকার বেশী খরচের কথা বিচারে বলা হয়েছে বলে জানান চেয়াম্যোন নুর হোসেন।

মুন্সিগঞ্জ নিউজ

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.